ওয়েব হোস্টিং পরিষেবা ক্রয় করার পূর্বে যা জেনে নেওয়া জরুরী

ওয়েব হোস্টিং ক্রয় করার পূর্বে যা জেনে নেওয়া জরুরী

আপনি যদি একটি ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট তৈরী করতে চান, তাহলে সেখানে আপনি কোন রকমের ফ্রি হোস্টিং পাবেন না।

এক্ষেত্রে আপনাকে কোনো একটি হোস্টিং প্রোভাইডার এর কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করে নিতে হবে এবং তারপরে সেই হোস্টিং দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট রান করতে হবে।

এক্ষেত্রে কি রকমের ওয়েব হোস্টিং বেছে নেয়া সবচেয়ে বেশি ভালো হবে? সে সম্পর্কে অনেকেই জেনে নিতে চান।

আপনি যদি ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে চান এবং জেনে নিতে চান যে কি রকমের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহারে আপনার ওয়েবসাইট স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে, তাহলে এই আর্টিকেলটি দেখে নিতে পারেন।

এখন আমরা হোস্টিং কি তা জেনে নিবো। তবে হোস্টিং সম্পর্কে জানার আগে আপনাকে ইন্টারনেট সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ ইন্টারনেট কি এবং ইন্টারনেট কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে পরিষ্কার ধারনা না থাকলে আপনি হোস্টিং বিষয়টি বুঝতে পারবেন না। কারণ হোস্টিং এবং ইন্টারনেট একে অন্যের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। সুতরাং আগে ইন্টারনেট সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ইন্টারনেট কি?

google-internet

ইন্টারনেট বিশ্বের বৃহত্তম আন্তঃ সংযুক্ত নেটওয়ার্ক। আন্তঃ সংযুক্ত নেটওয়ার্ক মানে একে অপরের সাথে সংযুক্ত। আজকের পুরো বিশ্ব, মোবাইল থেকে শুরু করে প্রায় সকল কম্পিউটার এই বড় নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। আপনার আমার প্রতিটি মোবাইল পুরো বিশ্ব নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত রয়েছে।

মোবাইলে ইন্টারনেট কানেকশন অন করলে আমরা ইন্টারনেটে থাকা সকল তথ্য দেখতে পারি। সেই তথ্যগুলো কোথা থেকে আসে আপনি হয়তো সেটা কখনো চিন্তা করেননি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে সকল তথ্য আমরা দেখতে পাই সেগুলো কোন না কোন কম্পিউটারের সেভ করা থাকে।

আর যখন আমরা ডেটা কানেকশন অন করি তখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঐ সমস্ত কম্পিউটারের সাথে আমাদের মোবাইলের এক ধরনের কানেকশন বা সংযোগ তৈরি হয়। তখন আমরা সার্ভার কম্পিউটারে সেভ করা ফাইল আমরা দেখতে পাই। মূলত ঐ সমস্ত কম্পিউটারের ফাইল যে কম্পিউটারের যে জায়তে রাখা হয় সেটিকে ওয়েব সার্ভার বা ওয়েব হোস্টিং বলা যেতে পারে।

হোস্টিং কি?

hostng-servers

আপনি যখন কোন একটি ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ তৈরি করবেন তখন ওয়েবসাইট বা ব্লগের ফাইলগুলোকে ইন্টারনেটে রাখতে হবে, যাতে মানুষ আপনার ব্লগ দেখতে ও পড়তে পারে। কারণ আমরা ইতোপূর্বে জেনেছি যে, ইন্টারনেটে যখন কোন ফাইল রাখা হয় তখন নেটওয়ার্ক সংযোগের মাধ্যমে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে সেই ফাইল দেখা যায়।

এখন আপনার ওয়েবসাইট এর প্রয়োজনীয় ফাইল, ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও এবং ভিডিও যেখানে রাখবেন সেই জায়গাই হচ্ছে ওয়েব হোস্টিং। আরো সহজভাবে বলা যায় যে, ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে বিশাল আকারে কম্পিউটার, যে কম্পিটারে অনেক বড় সাইজের হার্ডড্রাইভ থাকে। আর আমরা সেই কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভে যখন কোন ডকুমেন্ট রাখি সেই ডকুমেন্ট আন্তঃ সংযোগের মাধ্যমে সবাই দেখতে পাই।

এই ধরনের বিশাল কম্পিউটার ২৪ ঘন্টা অন করা থাকে। যেটা আমাদের পার্সোন্যাল কম্পিউটারের মত যখন তখন অন অফ করা হয় না। আর যে সমস্ত কোম্পানি এ ধরনের বিশাল কম্পিউটার সংরক্ষণ করে তাদেরকে বলে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি। তারা অনেক টাকার খরছ করে ঐ সমস্ত কম্পিউটার দিন রাত ২৪ ঘন্টা অন রাখে বিধায় তাদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে আমরা ওয়েব হোস্টিং কিনে নেই।

সহজ ভাষায় বলা যায় যে, একটি ওয়েবসাইটের সকল ফাইল ইন্টারনেটের যে স্টোরেজে রাখা হয় সেই স্পেস বা স্টোরেজকে হোস্টিং বলা হয়। প্রত্যেকটি ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির সার্ভারগুলো বিশ্বের সকল নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে। যার কারনে ঐ হোস্টিং বা সার্ভারে রাখা যে কোন তথ্য ইন্টারনেট কানেকশন এর মাধ্যমে দেখা যায় বা এক্সেস করা সম্ভব হয়।

ওয়েব হোস্টিং কিভাবে কাজ করে?

এখন অনেক ধরনের ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা টাকার বিনিময়ে ওয়েবসাইটের মালিকদের সেই সমস্ত হোস্টিং সার্ভারের ওয়েবসাইট রাখার অনুমতি দেয়। যখন একটি ওয়েবসাইট কোন সার্ভারের হোস্ট করা হয় তখন সেই সার্ভারের সাথে একটি ইউনিক ডোমেইন নাম সংযুক্ত করার মাধ্যমে যে কোন সময় সেই ওয়েবসাইটের ফাইল দেখা যায়।

সাধারণত একটি ব্লগের এড্রেস যে কোন ব্রাউজারে টাইপ করে সার্চ করলে তখন সেই ব্রাউজার সার্ভারের রাখা ফাইলগুলোর সাথে সংযোগ স্থাপন করে। যার ফলে সেই সার্ভারে হোস্ট করা ওয়েবসাইটের ফাইল যে কোন স্থান হতে সহজে দেখা যায়।

উদাহরণ হিসেবে আমার ব্লগটি বিবেচনা করতে পারেন। আমার ব্লগের এড্রেস হলো Growmek.com. কেউ যখন কোন মোবাইল বা কম্পিউটার ব্রাউজার থেকে আমার ব্লগের এড্রেস লিখে সার্চ করবে তখন সেই ব্রাউজার আমার ব্লগের ফাইলগুলো যেই সার্ভারে রাখা আছে সেই সার্ভারের সাথে আপনার মোবাইলের একটি কানেকশন তৈরি করবে। যার ফলে আপনার হাতে থাকা মোবাইল থেকে সহজে আমার ওয়েবসাইটটি দেখতে পাবেন। এভাবেই মূলত ওয়েব হোস্টিং কাজ করে।

কোন ওয়েব হোস্টিং কিনবেন?

বর্তমানে অসংখ্য অসংখ্য ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে যারা নিয়মিত হোস্টিং বিক্রি করছে। বিশেকরে এখন আমাদের দেশের অনেক ভালো ভালো হোস্টিং প্রোভাইডার সহ বিভিন্ন ধরনের রিসেলার হোস্টিং কোম্পানি আছে। আপনি চাইলে তাদের নিকট থেকে কিনতে পারেন।

আপনার ব্লগে যদি বাংলা ভাষায় লেখালেখি করেন তাহলে আপনার জন্য বাংলাদেশি হোস্টিং কেনা বেটার হবে। কারণ হোস্টিং কোম্পানির সার্ভার আপনার ভিজিটরদের যত কাছে থাকবে আপনার ব্লগ তত দ্রুত লোড নিবে। অন্যদিকে আপনি যদি ইংরেজিতে ব্লগিং করেন তাহলে যে দেশের ভিজিটর আপনার বেশি হয় সেই দেশের হোস্টিং নিলে আপনার জন্য ভালো হবে। তবে যেকোন দেশের হোস্টিং কিনলেও তেমন কোন সমস্যা হবে না।

বাংলাদেশের মানুষ হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে পে-মেন্ট নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। কারণ দেখা যায় যে, ভালোমানের বিদেশি কোম্পানির নিকট থেকে হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে মাস্টার কার্ড, ভিসা কার্ড বা পেপাল একাউন্টের প্রয়োজন হয়। আমাদের দেশের অধিকাংশ লোকের কাছে এ ধরনের কোন কার্ড না থাকায় বিদেশি কোম্পানির নিকট থেকে হোস্টিং কিনতে পারে না।

তবে আপনি যদি বাংলাদেশি কোম্পানির নিকট থেকে হোস্টিং কিনতে চান তাহলে বিকাশ ও নগদ একাউন্টের মাধ্যমে পে-মেন্ট করে খুব সহজে হোস্টিং কিনতে পারবেন। আপনি যদি একান্তই বিদেশি কোম্পানির নিকট থেকে হোস্টিং কিনতে চান এবং আপনার কোন পেমেন্ট সিস্টেম না থাকে তাহলে আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনার হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে সর্বাত্মক হেল্প করব।

বর্তমানে কম দামে হোস্টিং বিক্রি করছে এমন অনেক কোম্পানি আছে। তাদের মধ্যে নিচের হোস্টিং কোম্পানিগুলো বেশ জনপ্রিয়—

এখানে উপরের ৬ টি হোস্টিং কোম্পানির মধ্যে প্রথম ৫ টি হচ্ছে বিদেশি কোম্পানি। এখানে BlueHost হচ্ছে সবচাইতে ভালো মানের হোস্টিং প্রোভাইডার। তবে তাদের হোস্টিং প্যাকেজ এর মূল্য অনেক বেশি হয়। আর উপরের ৬নং Host Might হচ্ছে আমাদের দেশের হোস্টিং কোম্পানি।

ওয়েব হোস্টিং নির্বাচনে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে

উপরে উল্লেখিত কোম্পানি ছাড়াও দেশি বেদেশি অসংখ্য হোস্টিং কোম্পানি আছে। একজন সাধারণ ব্যক্তি যে কোন কোম্পানির হোস্টিং প্যাকেজ দেখে আপাত দৃষ্ঠিতে ভালো মনে হবে। সে জন্য অভীজ্ঞতা ছাড়া সহজে কেউ সঠিক হোস্টিং বাছাই করতে পারবে না।

প্রত্যেকটি হোস্টিং কোম্পানির আলাদা আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে। তাছাড়া ব্যক্তি বিশেষে হোস্টিং এর চাহিদাও ভিন্ন ভিন্ন হয়। কাজেই আপনি কোন ধরনের ব্লগিং করবেন সেটার উপর ভিত্তি করে আপনাকে সেরা হোস্টিং বাছাই করতে হবে। হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে নিচের বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে।

1. Disk Space: এখানে Disk Space বলতে হোস্টিং এর পরিমান বুঝানো হচ্ছে। কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের যেমন ৫০০ জিবি এবং ১০০০ জিবি স্টোরেজ থাকে ঠিক তেমনি হোস্টিংয়েরও স্টোরেজ থাকে। আপনি যত বেশি ডিস্ক স্পেস কিনবেন আপনাকে তত বেশি টাকা খরছ করতে হবে। আপনার জন্য কতটুকো Disk Space প্রয়োজন হবে সেটা আপনার কাজের উপর ডিপেন্ড করবে। নরমালি একটি নতুন পার্সন্যাল ব্লগের জন্য ১ জিবি স্টোরেজ হোস্টিং কিনলেই যথেষ্ট।

2. Bandwidth: একটি ওয়েবসাইট প্রতি সেকেন্ডে কি পরিমান তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে সেটাকে Bandwidth দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাক্সেস করে তখন আপনার কাঙ্খিত সার্ভারটি কিছু ডেটা ব্যবহার করবে। এ ক্ষেত্রে আপনার হোস্টিংয়ের Bandwidth কম হলে আপনার ব্লগ ডাউন হবে এবং অনেক স্লো গতির হবে। কাজেই হোস্টিং কেনার সময় Bandwidth ভালো কি না তা দেখে কিনতে হবে।

3. Uptime: একটি হোস্টিং সার্ভার ২৪ ঘন্টার মধ্যে কতক্ষণ সময় নিরবিচ্ছিন্নভাবে একটিভ থাকে সেটাকে Uptime দ্বারা বুঝানো হয়। হোস্টিং সার্ভার এর আপটাইম ভালো না হলে আপনার ওয়েবসাইট ডাউন হবে। যার ফলে আপনার ব্লগের ট্রাফিক হারাবেন। বর্তমান সময়ের অধিকাংশ হোস্টিং কোম্পানি ৯৯.৯৯% Uptime এর নিশ্চয়তা দেয়। কাজেই হোস্টিং কেনার আগে আপটাইম যাচাই করে নিবেন।

4. Good Reviews: এছাড়াও এই হোস্টিং প্রোভাইডার যার কাছ থেকে আপনি হোস্টিং করার করে নিতে চান তার কাছ থেকে পূর্বে থেকে যে সমস্ত কাস্টমাররা হোস্টিং নিয়েছে, তাদের কাছ থেকে ফিডব্যাক গুলো নিয়ে নিন।

অর্থাৎ বিভিন্ন রকমের প্লাটফর্মে গিয়ে তাদের রিভিউ দেখে নিন এবং এ সম্পর্কে সচেষ্ট হয়ে যান যে তারা আসলেই ভাল সার্ভিস দিচ্ছে কিনা।

আমাদের রিভিউ: শীর্ষ ১১ ওয়েব হোস্টিং পরিষেবাদি তুলনা

যেমন, আপনি যদি পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম একটি হোস্টিং ব্র্যান্ড, Bluehost থেকে হোস্টিং ক্রয় করে নিতে চান, তাহলে Bluehost Review এখান দেখে নিতে পারেন।

5. Customer Service: আপনি যে কোম্পানি থেকে হোস্টিং কিনুন না কেন আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সেই কোম্পানি ঠিকমত কাস্টমার সাপোর্ট দেয় কি না? কারণ ব্লগিং করার সময় আপনি হোস্টিং নিয়ে ছোটখাটো সমস্যায় পড়তে পারেন। সেই মুহুর্তে আপনি সাপোর্ট পাবেন কি না সেই বিষয়টি বিবেচনা করে তবেই হোস্টিং কেনা উচিত। তা না হলে হোস্টিং কিনে বিভন্ন ধরনের প্রবলেম ফেস করতে হতে পারে।

হোস্টিং কেনার সিদ্ধান্তঃ একটি ভালোমানের হোস্টিং ক্রয় করার জন্য কোন কোন দিকগুলো বিবেচনা করতে হয় তার সবটাই উপরে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কাজেই কোন কোম্পানি আপনাকে উপরোক্ত ফেসিলিটি দিতে পারছে কি না তা সার্বিক বিবেচনা করে আপনার জন্য উপযুক্ত হোস্টিং নির্বাচন করতে হবে।

হোস্টিং এর দাম

এক একটি হোস্টিং কোম্পানি এক এক ধরনের সুযোগ সুবিধা থাকে বিধায় কোম্পানি অনুসারে হোস্টিংয়ের দাম ভিন্ন ভিন্ন হয়। সে জন্য হোস্টিং এর সুনির্দিষ্ট কোন দাম নির্ধারণ করা সম্ভব হবে না। তাছাড়া বিভিন্ন সময় হোস্টিং কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের অফার দিয়ে থাকে। নিচের আমরা হোস্টিং এর দাম সম্পর্কে একটা অনুমান দেওয়ার চেষ্টা করব।

  • Shared Hosting – প্রতি মাসে ৫০ থেকে ৩০০ টাকা
  • VPS Hosting – প্রতি মাসে ২০০০ থেকে ১০০০০ টাকা
  • Dedicated Hosting – প্রতি মাসে ৭০০০ থেকে ২০০০০ টাকা
  • Cloud Hosting – প্রতি মাসে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা

আপনি যদি ব্লগিংয়ে একদম নতুন হয়ে থাকেন এবং আপনার ব্লগে ট্রাফিক কম হলে Shared Hosting কেনার জন্য আমরা আপনাকে পরামর্শ দিবো। অন্যদিকে আপনার মোটামুটি ট্রাফিক থাকলে এবং নিয়মিত ব্লগে কাজ করলে Cloud Hosting কিনার জন্য বলবো।

উপসংহার

তবুও, কিছু বিভ্রান্তি হচ্ছে? অথবা ওয়েবসাইট বিল্ডিং কোন ধরনের সাহায্য প্রয়োজন? তারপর, নীচে মন্তব্য করুন. আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পেরে খুশি হব। এই আর্টিকেলের মাধ্যমে হোস্টিং সম্পর্কে একটি কমপ্লিট গাইড দেওয়ার সর্বাত্ম চেষ্টা করা হয়েছে। আপনি যদি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই ইতোপূর্বে হোস্টিং বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পেরেছন।

আপনি HostGator পর্যালোচনা এবং দ্রুত নতুন ফ্রিল্যান্সিং শেখার বিষয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর আমাদের নিবন্ধ পছন্দ করতে পারেন.

ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কিত এই লেখাটি আপনার পছন্দ হয়ে থাকলে আপনি পোস্টটি ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন। তাহলে সহজে আপনার বন্ধ বান্ধব এই পোস্টটি পড়ে ওয়েব হোস্টিং সম্পর্কে জানতে পারবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *